সম্পাদকীয় নীতি
সর্বশেষ হালনাগাদ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬
১. প্রাথমিক সূত্রই একমাত্র ভিত্তি
পরীক্ষার নম্বর বিভাজন, প্রশ্নসংখ্যা, সময়, নেগেটিভ মার্কিং, যোগ্যতা, বয়সসীমা ও ফি আমরা নিচের প্রাথমিক সূত্র থেকেই নিই — কলকাতা গেজেটে প্রকাশিত নিয়োগ বিধি, নিয়োগ বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি ও বিজ্ঞাপন, এবং বোর্ডের প্রকাশিত সিলেবাস/তথ্যপুস্তিকা। অন্য ওয়েবসাইট বা কোচিং সেন্টারের দাবি যাচাই ছাড়া প্রকাশ করা হয় না। প্রতিটি পাতায় সূত্রের লিঙ্ক থাকে।
২. অমিল থাকলে স্পষ্ট করে জানাই
কখনও সরকারি নথিগুলির মধ্যেই অমিল থাকে (যেমন নিয়োগ বিধির নম্বর ও সিলেবাস নথির প্রশ্নসংখ্যা আলাদা)। এমন ক্ষেত্রে আমরা কোনো একটি সংখ্যা বেছে নিয়ে লুকিয়ে রাখি না — দুটি সূত্রই উল্লেখ করে পাঠককে জানাই।
৩. যা আমরা কখনও করি না
- সরকারি ঘোষণা ছাড়া পরীক্ষার তারিখ বা শূন্যপদকে নিশ্চিত হিসেবে লেখা। সম্ভাব্য তারিখ সবসময় “সম্ভাব্য” চিহ্নিত থাকে।
- প্রশ্নপত্র ফাঁস, “নিশ্চিত প্রশ্ন” বা “গ্যারান্টিড চাকরি” জাতীয় দাবি।
- কপিরাইটযুক্ত বই বা কোচিং নোট নকল করা।
৪. পর্যালোচনা ও হালনাগাদ
লেখক খসড়া তৈরি করেন, সম্পাদক সূত্রের সঙ্গে প্রতিটি সংখ্যা মিলিয়ে প্রকাশ করেন। প্রতিটি পরীক্ষা গাইডে “শেষ যাচাই”-এর তারিখ থাকে; নতুন বিজ্ঞপ্তি এলে পাতা হালনাগাদ করা হয়। সরকারি ওয়েবসাইটের নতুন নোটিস আমরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করি, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া নোটিস যাচাই ছাড়া প্রকাশ হয় না।
৫. স্বাধীনতা
বিজ্ঞাপনদাতা, কোচিং প্রতিষ্ঠান বা রাজনৈতিক দল আমাদের সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে না।
৬. ভুল সংশোধন
বিস্তারিত: সংশোধন নীতি। যোগাযোগ: [email protected]
Editorial policy: exam patterns, marks, duration, negative marking, eligibility, age limits and fees come only from primary sources — gazetted recruitment rules, board notifications/advertisements and official syllabus documents — with links on every page. Where official documents disagree we say so rather than pick one silently. Tentative dates are labelled as such. We never publish leaked papers, “guaranteed questions” or job guarantees. An editor checks every figure before publication; each exam guide shows its last-verified date.